আগরতলা: স্থায়ী ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার (DFO) ছাড়াই গত প্রায় তিন মাস ধরে চলছে গোমতী ও দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার বন দপ্তরের কার্যক্রম। বর্তমানে অস্থায়ীভাবে SDFO-দের DFO-এর দায়িত্ব দিয়ে দপ্তরের কাজ চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। সরকার বিভিন্ন দপ্তরে একের পর এক আধিকারিক ও কর্মচারীকে বদলি এবং অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিকদের পুনর্নিয়োগ করলেও, গোমতী ও দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলায় স্থায়ী DFO নিয়োগ না হওয়ায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রাজ্যে IAS আধিকারিকের ঘাটতি থাকলেও IFS আধিকারিকের সংখ্যা পর্যাপ্ত থাকার পরও কেন এই দুই জেলায় স্থায়ী DFO নিয়োগ করা হচ্ছে না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। স্থায়ী DFO না থাকায় দপ্তরের বিভিন্ন প্রশাসনিক ও আর্থিক কাজ ধীরগতিতে চলছে বলে অভিযোগ। বিশেষ করে বিভিন্ন কাজের বিল আটকে থাকা এবং বিল সংক্রান্ত নথিতে অনুমোদন ও স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে বিলম্ব হচ্ছে বলেও জানা গেছে। এর ফলে বন দপ্তরের স্বাভাবিক কাজকর্মে কিছুটা হলেও প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গোমতী ও দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার বন দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলিতে গতি ফেরাতে দ্রুত স্থায়ী DFO নিয়োগের দাবি উঠেছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দপ্তরের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন মহলও দ্রুত এই পদে স্থায়ী আধিকারিক নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছে। এখন দেখার বিষয়, সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর কবে গোমতী ও দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলায় স্থায়ী DFO নিয়োগ করে। নাকি আরও দীর্ঘ সময় অস্থায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের দিয়েই বন দপ্তরের কাজ চালিয়ে নেওয়া হবে—সেদিকেই নজর সাধারণ মানুষের।
গোমতী ও দক্ষিণ ত্রিপুরায় ৩ মাস ধরে স্থায়ী DFO নেই
গোমতী ও দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলায় স্থায়ী DFO নিয়োগ না হওয়ায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
13