শান্তিরবাজার, ৪ সেপ্টেম্বর: এডিসি ভিলেজ কাউন্সিল নির্বাচনকে ঘিরে শুক্রবার দ্বিতীয় দিনেও বোকাফা ও জোলাইবাড়ি আরডি ব্লকে বামফ্রন্ট প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এদিন দুই ব্লকেই অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেননি।
নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ১ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা রয়েছে। শান্তিরবাজার মহকুমার বোকাফা ও জোলাইবাড়ি ব্লক মিলিয়ে মোট ২০৬টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে বোকাফা ব্লকের ১৪টি ভিলেজে ১২২টি আসন এবং জোলাইবাড়ি ব্লকের ১০টি ভিলেজে ৮৪টি আসন রয়েছে।
শুক্রবার বোকাফা ব্লকের বিভিন্ন ভিলেজ থেকে মোট ১৭ জন বামফ্রন্ট প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। তাঁদের মধ্যে সিপিআই(এম)-এর ১৫ জন এবং সিপিআই-এর ২ জন প্রার্থী রয়েছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার বোকাফা ব্লকে সিপিআই(এম)-এর আরও ৪৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন।
মনোনয়ন জমার পর সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুধন দাস অভিযোগ করেন, গত ১০ বছর ধরে এডিসি ভিলেজ কাউন্সিল নির্বাচন হয়নি। তাঁর দাবি, এডিসি এলাকায় কর্মসংস্থান, শিক্ষা, পানীয় জল ও পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে নানা সমস্যা রয়েছে। ভিলেজ কাউন্সিলগুলিতে অনিয়ম ও অব্যবস্থার অভিযোগও করেন তিনি। একই সঙ্গে বামফ্রন্ট প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে শাসক দলের তরফে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলে তা উপেক্ষা করে প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, জোলাইবাড়ি ব্লকের বিভিন্ন ভিলেজ থেকে শুক্রবার মোট ১৫ জন সিপিআই(এম) প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর আগে বৃহস্পতিবার এই ব্লকে আরও ২৯ জন সিপিআই(এম) প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন।
জোলাইবাড়িতে মনোনয়ন জমা শেষে সিপিআই(এম) শান্তিরবাজার মহকুমা কমিটির সদস্য বর্দিরাম রিয়াং ও পার্টি নেতা পূর্ণচন্দ্র ত্রিপুরা এডিসি ভিলেজগুলিতে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, এলাকার জনগণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনতে ভিলেজ কাউন্সিল নির্বাচনে বামফ্রন্ট প্রার্থীদের জয়ী করা প্রয়োজন।