বাহুবলী নেতা ও দপ্তরের কল্যাণে দুই বছরে মুখ থুবড়ে উন্নয়ন
নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা ১১ জুলাই : বিলোনীয়া মহকুমার ঋষ্যমুখ বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত মতাই হরিপুর গ্রাম। এই গ্রামে রয়েছে একটি দূর্গা বাড়ী। বাদল চৌধুরী বিধায়ক থাকা সময়ে স্থানীয় মানুষ দূর্গাবাড়ীকে রক্ষা করার জন্য একটি সাইডে গার্ড ওয়াল নির্মানের জন্য দাবি জানান। বিধায়ক বাদল চৌধুরী জনগনের দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে বিধায়ক এলকা উন্নয়ন তহবিল থেকে দূর্গাবাড়ীর সাইড ওয়াল নির্মানের জন্য অর্থ বরাদ্ধ করেন।বিলোনীয়া মহকুমা শাসকের মাধ্যমে উন্নয়ন তহবিল ঋষ্যমুখ আর ডি ব্লকে পৌছায়। ২০২২ – ২০২৩ সালে স্থানীয় মানুষ গ্রাম উন্নয়ন দপ্তর নির্মান কাজের দরপত্র আহ্বান করে কাজ করেন। নির্মান কাজটি চলাকালে একাধিকবার বিধায়ক বাদল চৌধুরী কাজের গুনমান বজায়ে কাজ করার জন্য গ্রাম উন্নয়ন দপ্তর ও ঋষ্যমুখ ব্লকের কাছে দাবি জানান এছাড়া স্থানীয় মানুষ নিন্মমানের কাজ হচ্ছে বলে একাধিকবার সরব হন। কিন্তু দপ্তর কাজের গুনমান সম্পর্কে তৎকালিন বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বাদল চৌধুরী এবং স্থানীয় মানুষের অভিযোগের বিন্দু মাত্র গুরুত্ব না দিয়ে কাজটি সম্পন্ন করে। জানাগেছে নির্মান কাজটি করেছেন স্থায়ী বিজেপি বাহুবলী নেতা। বিধায়ক উন্নয়ন তহবিলে নির্মান করা মতাই হরিপুর দূর্গাবাড়ীকে রক্ষা করার সাইড ওয়াল মাত্র দুই বছরের মধ্যেই চলতি সামান্য বৃষ্টিতে একেবারে ধুয়ে মুছে জলের স্রোতে ভেসে গেছে। একটি সামান্য ড্রেনের পাশ ঘেষা দূর্গা বাড়ীর মাটি আটকাতে সাইড ওয়ল ভেঙ্গে বিশাল ছড়ার রূপ নিয়েছে। এমনকি দূর্গা বাড়ীটিও গুনধর ঠিকাদার তথা বাহুবলী নেতার কল্যান্যে ধ্বংসের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে। দুই বছরের মধ্যে নির্মান কাজ ভেঙ্গে মানুষের আস্থার স্থান ধ্বংসের মুখে দেখে ক্ষোভে ফেটে পরেছেন স্থানীয়রা। এলকাবাসী ইতিমধ্যে নির্মানের কাজে যুক্ত ঠিকাদার ও দপ্তরের আধিকারিকের বিরুদ্ধে তদন্ত ক্রমে দৃষ্টন্ত মূলক শাস্তির দাবি জানান এবং অতি দ্রুত মতাই হরিপুর দূর্গা বাড়ীকে রক্ষা করতে প্রশাসন ও সরকারের কাছে দাবি জানান।