Home » Blog » শান্তিরবাজারে বাড়ছে চুরির উপদ্রব, আতঙ্কে বাসিন্দারা

শান্তিরবাজারে বাড়ছে চুরির উপদ্রব, আতঙ্কে বাসিন্দারা

শান্তিরবাজারে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

by Planet Tripura
0 comments 3 views

শান্তিরবাজারে চুরির উপদ্রব বৃদ্ধি, আতঙ্কে বাসিন্দারা, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা : শান্তিরবাজার শহর ও সংলগ্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে চুরির ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। মোটরবাইক, সাইকেল, গ্যাস সিলিন্ডার, গবাদিপশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন গৃহস্থালি সামগ্রী চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে শান্তিরবাজার শহরের মষ্ঠারপাড়া এলাকা থেকে একটি মোটরবাইক চুরি হয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাজারের বিভিন্ন স্থান থেকে একাধিক সাইকেল চুরির ঘটনাও সামনে আসে।পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় গরু চুরির অভিযোগও নিয়মিতভাবে উঠছে।

এরই মধ্যে গত রবিবার রাতে শান্তিরবাজার পুরপরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুরপাড়া এলাকায় একই রাতে ছয়টি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। চোরের দল একাধিক গ্যাস সিলিন্ডারসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায়। ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই সোমবার গভীর রাতে একই এলাকার একটি কালী মন্দিরেও চুরির ঘটনা সংঘটিত হয় বলে স্থানীয়দের দাবি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সম্প্রতি গভীর রাতে গরু চুরির উদ্দেশ্যে দুটি বোলেরো গাড়ি, একটি অটো এবং কয়েকটি মোটরবাইক নিয়ে একদল সন্দেহভাজন ব্যক্তি এলাকায় প্রবেশ করেছিল। তবে স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে।

এ ধরনের ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, চুরির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডায়েরিভুক্ত করার পর আর দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।

এদিকে শান্তিরবাজার থানার অধীনে কর্মরত ডিআইবি (DIB) বিভাগের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন একাংশ বাসিন্দা। তাঁদের দাবি, কোনো ঘটনা ঘটার পর তথ্য সংগ্রহ ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট পাঠানোর মধ্যেই দায়িত্ব সীমাবদ্ধ থাকছে। অপরাধ সংঘটনের আগে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো গেলে এমন ঘটনা কিছুটা হলেও রোধ করা সম্ভব বলে মত স্থানীয়দের।

তবে ডিআইবি কর্মীদের বিরুদ্ধে ওঠা অসদাচরণ বা অপরাধীদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগের বিষয়ে কোনো সরকারি বা আনুষ্ঠানিক প্রমাণ সামনে আসেনি। বর্তমানে এলাকাবাসীর একটাই দাবি, দ্রুত চোরচক্রকে শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুক।

You may also like

Leave a Comment