Home » Blog » অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে ‘ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট’ নীতি চালু

অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে ‘ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট’ নীতি চালু

অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

by Planet Tripura
0 comments 285 views

অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ, ‘ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট’ নীতি চালু রাজ্যে

নিজস্ব প্রতিনিধি :পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে তাঁদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিজেপি সরকার। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA)-এর আওতার বাইরে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হবে এবং পরে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়া হবে, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, কেন্দ্রীয় সরকার প্রায় এক বছর আগেই সমস্ত রাজ্যকে এই বিষয়ে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা পাঠিয়েছিল। কিন্তু পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকার সেই নির্দেশ কার্যকর করেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সীমান্ত নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হয়েছে বলে দাবি তাঁর।

রাজ্য সরকারের নতুন নীতির মূল ভিত্তি হল — “ডিটেক্ট ডিলিট এবং ডিপোর্ট । প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, এই প্রক্রিয়ায় রাজ্য পুলিশ, জেলা প্রশাসন এবং বিএসএফ যৌথভাবে কাজ করবে। সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে।

নবান্ন সূত্রে খবর, বাংলাদেশ সীমান্তের একাধিক অরক্ষিত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। ইতিমধ্যেই বিএসএফ-কে মালদা এলাকায় ২৭ কিলোমিটার জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে প্রশাসনিক মহলের দাবি।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকও স্পষ্ট জানিয়েছে, অবৈধ অনুপ্রবেশ বা ভিসার নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও ভারতে থেকে যাওয়ার ঘটনা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। মন্ত্রকের মতে, অবৈধ অভিবাসনের ফলে জাতীয় নিরাপত্তা, আর্থসামাজিক ভারসাম্য এবং আইনশৃঙ্খলার উপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপকে সামনে রেখে আগামী দিনে রাজ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে পারে। অন্যদিকে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, সীমান্ত সুরক্ষা ও নাগরিক পরিচয় যাচাইয়ের স্বার্থেই এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

অন্যদিকে ১০ বছর যাবৎ ত্রিপুরায় বিজেপি সরকার রয়েছে কিন্তু এখনো এই রাজ্যে এই ধরণের আইন কেন আজ পর্যন্ত লাগু করা হলো না এই নিয়ে একাধিক মহলে প্রশ্ন উঠছে। আধো কতটুক এই আইন কাযকর হবে এই নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

You may also like

Leave a Comment