Home » Blog » শান্তির বাজারে কৃষি দপ্তরের ‘ক্ষেত বাঁচাও’ অভিযান

শান্তির বাজারে কৃষি দপ্তরের ‘ক্ষেত বাঁচাও’ অভিযান

জমির উর্বরতা রক্ষা ও কৃত্রিম সার মুক্ত খাদ্যের লক্ষ্যে দক্ষিণ জেলায় কৃষি দপ্তরের বিশেষ উদ্যোগ

by Planet Tripura
0 comments 49 views

রাসায়নিক সারের বদলে জৈব চাষে জোর সরকারের : শান্তির বাজারে কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে ‘ক্ষেত বাঁচাও’ অভিযানের সূচনা

নিজস্ব প্রতিনিধি। মিঠুন ভৌমিক। শান্তির বাজার

জমির উর্বরতা রক্ষা এবং জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে রাসায়নিক সারের বদলে জৈবিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের ডাক দিল রাজ্য সরকার। বুধবার শান্তির বাজার মুকুট অডিটোরিয়ামে কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে দক্ষিণ জেলাভিত্তিক ‘ক্ষেত বাঁচাও অভিযান’ ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চাষের এক বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত করা হয়। বর্তমান সময়ে কৃষকদের রাসায়নিক সারের অত্যধিক ব্যবহারের ফলে ফসলের উৎপাদন বাড়লেও, দীর্ঘমেয়াদে জমির প্রাকৃতিক উর্বরতা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। একইসাথে, এই রাসায়নিক যুক্ত ফসল গ্রহণের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভিন্ন জটিল রোগের প্রকোপ বাড়ছে দিন দিন । এই সংকট মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের বিশেষ উদ্যোগ ‘ক্ষেত বাঁচাও’ প্রকল্প। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো কৃষকদের জৈবিক পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদনের প্রশিক্ষণ দেওয়া, যাতে জমির উর্বরতা পুনরুদ্ধার হয় এবং মানুষ বিষমুক্ত ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য পায়।

আজকের অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত মাননীয় মন্ত্রী সান্তনা চাকমা। তাঁর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন ৩৬ শান্তির বাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, দক্ষিণ জেলার জেলাসভাধিপতি দীপক দত্ত, শান্তির বাজার পৌরপরিষদের চেয়ারম্যান সপ্না বৈদ্য, ভাইস চেয়ারম্যান সত্যব্রত সাহা, বিশিষ্ট সমাজসেবী দীপায়ন চৌধুরী, মন্ডল সভাপতি দেবাশীষ ভৌমিক, প্রবীর বরন রায় এবং দক্ষিণ জেলার কৃষি দপ্তরের ডিরেক্টর সুমিত কুমার সাহা সহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকগণ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী সান্তনা চাকমা কৃষকদের উন্নয়নের লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, টেকসই কৃষিকাজ এবং পরিবেশ রক্ষায় জৈব চাষের কোনো বিকল্প নেই। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মন্ত্রী এবং অন্যান্য অতিথিরা কৃষি দপ্তরের প্রদর্শনী স্টলগুলি পরিদর্শন করেন। দক্ষিণ জেলা কৃষি দপ্তরের এই উদ্যোগে ওই এলাকার বিপুল সংখ্যক কৃষক অংশ গ্রহণ করেন, যা এই কর্মসূচির ব্যাপক গ্রহণ যোগ্যতাকে প্রমাণ করে দিয়েছে।

You may also like

Leave a Comment