Tripura Legislative Assembly-এর উদ্যোগে বিশেষ সেমিনার-সহ-ওয়ার্কশপ: জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতা জোরদারে জোর
নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা:
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বিশেষ সেমিনার-সহ-ওয়ার্কশপের আয়োজন করল Tripura Legislative Assembly। রাজধানীর প্রজ্ঞা ভবনে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক মহল ও বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু এবং মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা সহ একাধিক উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক আধিকারিক।
আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা বলেন, বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ববোধ ও জবাবদিহিতার মানসিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায়, “জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর মনে রাখতে হবে—যারা ভোট দিয়েছেন কিংবা দেননি, সকলের প্রতিই সমান দায়বদ্ধতা ও সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের কর্তব্য।”
তিনি আরও দাবি করেন, অতীতে রাজ্যে ঘৃণ্য রাজনীতির কারণে কখনও কখনও গণতন্ত্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার ভিত্তিতে রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতের মতো বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশে জনপ্রতিনিধিত্ব করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ বিষয়। জনপ্রতিনিধিরা যত বেশি জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারবেন, তত দ্রুত দেশ ও রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের কাজের পরিধি যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনই গণতন্ত্রকে বিকশিত করার স্বার্থে জবাবদিহিতার ভিত্তিও আরও মজবুত করা প্রয়োজন। এই ধরনের সেমিনার ও কর্মশালা সেই লক্ষ্য পূরণে সহায়ক বলেই মত তাঁর।
এই বিশেষ সেমিনার-সহ-ওয়ার্কশপ কেবল একটি আনুষ্ঠানিক আলোচনা নয়, বরং গণতান্ত্রিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপনের বার্তাই উঠে এল এই কর্মশালা থেকে।
