মথার সমাবেশে অনুমতি না দেওয়ার দাবি কংগ্রেসের

2 Min Read

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৩১ অক্টোবর:
ত্রিপুরার ত্রিপল ইঞ্জিন সরকারের অপশাসন, দুর্নীতি এবং প্রশাসনিক পৃষ্ঠপোষকতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব।
শুক্রবার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মনপিসিসি সভাপতি আশীষ কুমার সাহা রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরব হন।

বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন অভিযোগ করেন, রাজ্যে বিজেপি ও তিপরা মথার যোগসাজশে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন— “তিপ্রাসাদের স্বার্থের কথা যদি সত্যিই ভাবেন, তবে সরকার ছেড়ে আন্দোলনে নামছেন না কেন?”
তিনি ৭ নভেম্বর আগরতলায় তিপরা মথার জনসমাবেশ আয়োজনের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন— “ওই দিন কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিকল্পনা কি করা হচ্ছে?”

সুদীপ রায় বর্মন বলেন, “আগরতলার মালিক ত্রিপুরার জনগণ, কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন নয়।”
তিনি ত্রিপুরায় নেশা ব্যবসা, প্রশাসনিক দুর্নীতি এবং পুলিশের পক্ষপাতমূলক তদন্তেরও তীব্র সমালোচনা করেন।
জিরানিয়া রেলওয়ে ওয়াগন থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ কফ সিরাপের তদন্তে গাফিলতির অভিযোগও তোলেন তিনি।

আগরতলা পুর নিগমের ১৬ কোটি টাকার জালিয়াতি মামলায় ইউকো ব্যাংক ও পুলিশ বিভাগের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সুদীপ। তাঁর দাবি, “মামলাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে, একটি নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি।”

পিসিসি সভাপতি আশীষ কুমার সাহা অভিযোগ করেন, বিজেপি সরকার রাজ্যে গণতন্ত্রকে শ্বাসরুদ্ধ করে রেখেছে।
তিনি বলেন, “বিরোধী দলের সভা, মিছিল বন্ধ করে জনগণের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। এই অবস্থা চিরকাল চলতে পারে না; এক সময় জনগণের ক্ষোভ বিস্ফোরিত হবে।”

শেষে প্রদেশ কংগ্রেস রাজ্য সরকারকে আহ্বান জানায়—
৭ নভেম্বর তিপরা মথার জনসমাবেশের অনুমতি প্রত্যাখ্যান করে পরবর্তী সময়ে দেওয়া হোক।

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version