Home » Blog » নেশা বাণিজ্যের অভিযোগ ঘিরে শান্তিরবাজারে উত্তেজনা

নেশা বাণিজ্যের অভিযোগ ঘিরে শান্তিরবাজারে উত্তেজনা

মাদক কারবারের অভিযোগে শান্তিরবাজারে উত্তেজনা, তদন্তে পুলিশ

by Planet Tripura
0 comments 6 views
santirbazar drugs news

ড্রাগস কারবারের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা, বাড়িতে হামলার অভিযোগ; তদন্তে শান্তিরবাজার থানার পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি | দক্ষিণ ত্রিপুরা

দক্ষিণ ত্রিপুরার শান্তিরবাজারের বাইখোড়া অটো স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় কথিত মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা সুকান্ত দত্তের বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। যদিও ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও, পরে অজ্ঞাত কারণে সেই অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, বাইখোড়া অটো স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় প্রসেনজিৎ দাস ওরফে শম্ভুর একটি বাজেমালের দোকান রয়েছে। অভিযোগ, ওই দোকানের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ মাদক ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। আরও অভিযোগ, এই চক্রের সঙ্গে শান্তিরবাজার পূর্বপাড়ার বাসিন্দা দীপ মজুমদারেরও যোগ রয়েছে। তবে এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ ব্যবসা চললেও রহস্যজনক কারণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের অভিযোগ, এই চক্রের পেছনে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মদত থাকতে পারে। অভিযোগ অনুযায়ী, এই কথিত মাদক ব্যবসা নিয়ে বিরোধ এবং আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই সুকান্ত দত্তের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। একই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে, সুকান্ত দত্তের বাড়িকে ব্যবহার করে মাদক ব্যবসা পরিচালনার চেষ্টা করা হতো। তবে এই অভিযোগগুলিরও এখনও সরকারি বা তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে কোনও নিশ্চিত প্রমাণ সামনে আসেনি।

ঘটনার খবর পেয়ে শান্তিরবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে প্রসেনজিৎ দাস ওরফে শম্ভুর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হলেও, পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও নিষিদ্ধ সামগ্রী উদ্ধার হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি। অন্যদিকে, নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে দীপ মজুমদার ও প্রসেনজিৎ দাস শান্তিরবাজার থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। তাঁদের দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁদের নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, এলাকায় মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। যদিও পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা পরোক্ষ মদতের অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া বা প্রমাণ সামনে আসেনি। এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কী ব্যবস্থা গ্রহণ করে, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে এলাকার মানুষের। পাশাপাশি, দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা প্রশাসন ও শান্তিরবাজার থানার তদন্তে এই অভিযোগগুলির সত্যতা কতটা প্রতিষ্ঠিত হয়, সেটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

You may also like

Leave a Comment