Home » Blog » সড়ক দুর্ঘটনা রোধে শান্তির বাজার থানার বিশেষ পদক্ষেপ

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে শান্তির বাজার থানার বিশেষ পদক্ষেপ

শান্তির বাজারে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে তৎপর পুলিশ

by Planet Tripura
0 comments 137 views

শান্তির বাজার থানার উদ্যোগে সড়ক নিরাপত্তায় নতুন দিশা, দুর্ঘটনা কমাতে ড্রাম ও রিফ্লেক্টর স্থাপন

শান্তির বাজার, নিজস্ব প্রতিনিধি, মিঠুন ভৌমিক :
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ধারাবাহিকভাবে কার্যকর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে দক্ষিণ ত্রিপুরার শান্তির বাজার থানা। দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে রাস্তার মাঝ বরাবর ড্রাম স্থাপন এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও ত্রিমুখে রিফ্লেক্টর বসানোর কাজ জোরদার করেছে থানা প্রশাসন। পুলিশের এই উদ্যোগে রাতের বেলায় যানবাহন চালকদের সতর্কতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও অনেকাংশে কমবে বলে আশাবাদী স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শান্তির বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু দত্ত দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সড়ক নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছেন। বাজার এলাকা ও দুর্ঘটনাপ্রবণ সড়কগুলোতে ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন, সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে দুর্ঘটনার হার আগের তুলনায় কমেছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে মহকুমার বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে অতিরিক্ত গতিতে যানবাহন চালানো, চালকদের অসাবধানতা এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ওসি রাজু দত্ত বলেন, “প্রশাসনের উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেক চালক ও পথচারী যদি ট্রাফিক আইন মেনে চলেন, তাহলে দুর্ঘটনার সংখ্যা আরও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।”

স্থানীয়দের মতে, রাস্তার মাঝ বরাবর ড্রাম স্থাপন এবং রিফ্লেক্টর ব্যবহারের মতো সহজ কিন্তু কার্যকর উদ্যোগ ইতিমধ্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা চালকদের সতর্ক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যেও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে আস্থা ও স্বস্তি বেড়েছে।

শান্তির বাজার থানার এই জনস্বার্থমূলক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার বিভিন্ন স্তরের মানুষ। তাঁদের আশা, ভবিষ্যতেও এ ধরনের নজরদারি, সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে মহকুমার সড়কগুলো আরও নিরাপদ হয়ে উঠবে এবং সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

You may also like

Leave a Comment