দিল্লি বাবার নারী সহযোগীদের গ্রেফতার
দিল্লির এক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অন্তত ১৭ জন ছাত্রীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে অভিযুক্ত স্বঘোষিত ধর্মগুরু চৈতন্যানন্দ সরস্বতী ওরফে পার্থসারথীর বিরুদ্ধে তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। তাঁর তিন নারী সহযোগী—শ্বেতা শর্মা (অ্যাসোসিয়েট ডিন), ভাবনা কপিল (এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর) এবং কাজল (সিনিয়র ফ্যাকাল্টি)—কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি
তদন্তে তারা স্বীকার করেছেন, বাবার নির্দেশে ছাত্রছাত্রীদের ওপর শাস্তি ও শৃঙ্খলার নাম করে চাপ সৃষ্টি করতেন। এছাড়াও প্রমাণ নষ্ট করতেও সক্রিয় ভূমিকা নেন বলে অভিযোগ।
গ্রেফতার ও প্রমাণ উদ্ধার
অভিযুক্ত চৈতন্যানন্দকে আগ্রা থেকে গ্রেফতার করে ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে তিনটি মোবাইল ফোন ও একটি আইপ্যাড, যেখানে ছাত্রছাত্রীদের গতিবিধি নজরদারির প্রমাণ মেলে। তদন্তে জানা গেছে, প্রায় ৮ কোটি টাকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও ফিক্সড ডিপোজিটও ফ্রিজ করেছে কর্তৃপক্ষ।
বছরের পর বছর হয়রানির অভিযোগ
প্রাক্তন ছাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, গত নয় বছর ধরে চলছিল এই হয়রানি। ফোন কেড়ে নিয়ে আলাদা কক্ষে রাখতেন, দামি ফোন দিতেন যাতে পুরনো চ্যাট ও বার্তা মুছে ফেলা যায়। পরিবার ও আত্মীয়দের সঙ্গেও যোগাযোগ বন্ধ রাখতে চাপ দিতেন।
উপসংহার
এই ঘটনার পর দিল্লি জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, অবিলম্বে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক।
