বিশ্বকর্মা পূজার চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে ধর্মনগরের হাফলং বাজার সংলগ্ন এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এক কন্টেনার গাড়ির চালককে মারধর করা হয় এবং তাঁর কাছ থেকে নগদ টাকা নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযোগকারী কন্টেনার চালক পিন্টু মাইশো দাসের বাড়ি কৈলাশহরে। তাঁর দাবি, তিনি আগরতলা থেকে অনলাইন সামগ্রী নিয়ে কন্টেনার গাড়িতে করে শিলচরের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। পথে হাফলং বাজার সংলগ্ন এলাকায় একদল যুবক বিশ্বকর্মা পূজার চাঁদা দাবি করে তাঁর গাড়ি আটকায় বলে অভিযোগ।
পিন্টুর দাবি, তিনি ইতিমধ্যেই চাঁদা দিয়েছেন বলে জানালেও তাঁকে ফের টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। অভিযোগ, এরপর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং প্রায় ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল তাঁকে মারধর করে।
চালকের আরও অভিযোগ, গাড়ির খরচ বাবদ তাঁর কাছে থাকা নগদ টাকাও ওই দল নিয়ে যায়। ঘটনার পর রাতেই তিনি ধর্মনগর থানায় বিষয়টি জানান বলে দাবি করেন। তবে তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও পুলিশি পদক্ষেপ সম্পর্কে তিনি কোনও স্পষ্ট তথ্য পাননি।
সংবাদমাধ্যমের সামনে পিন্টু একটি রসিদও দেখান। তাঁর দাবি অনুযায়ী, রসিদে ‘ধর্মনগর মিডিয়াম ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর নাম উল্লেখ রয়েছে। তবে চাঁদা আদায় বা মারধরের ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা পুলিশি তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।
ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছেন আক্রান্ত চালক। মঙ্গলবার সকালে একটি সংগঠনের প্রতিনিধিরা ধর্মনগর থানায় গিয়ে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করেন বলেও জানা গেছে।
বর্তমানে পুরো ঘটনার তদন্তের দিকেই নজর রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা এবং মারধর ও টাকা নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের পরই পরিষ্কার হবে।